
কেশবপুর প্রতিনিধি:
কেশবপুরের মজিদপুর গ্রামের কৃতি সন্তান ও জার্মান প্রবাসী সফটওয়্যার ডেভেলপার এম এম সাইদুজ্জামান বাপ্পি হঠাৎ পরিদর্শনে গেছেন কেশবপুরের ভরতভায়না মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। এ সময় তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
সম্প্রতি স্ত্রী, সন্তান ও বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন এম এম সাইদুজ্জামান বাপ্পি। তার সঙ্গে ছিলেন মিঠু, কামাল ও শুভ সরকার। আকস্মিকভাবে একজন প্রবাসী কৃতি সন্তানের বিদ্যালয় পরিদর্শনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান হাবিব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এই আনন্দের কথা তুলে ধরে লেখেন, “আমরা আনন্দিত, আমরা গর্বিত।” তিনি জানান, এম এম সাইদুজ্জামান বাপ্পি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। তার এমন আগমনে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানানো হয়।
এম এম সাইদুজ্জামান বাপ্পি কেশবপুর উপজেলার মজিদপুর গ্রামের সন্তান। তিনি কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজে পড়াশোনা করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে পাড়ি জমান জার্মানিতে। সেখানে সফটওয়্যার ডেভেলপার হিসেবে কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠিত হন। বাংলা ভাষার জন্য বাংলা ডিকশনারি সফটওয়্যার উন্নয়নের সঙ্গেও তার নাম জড়িত, যা প্রবাসে থেকেও বাংলা ভাষা ও প্রযুক্তির প্রতি তার ভালোবাসার পরিচয় বহন করে।
নিজ এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে এসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সময় কাটানোকে স্থানীয়রা ইতিবাচকভাবে দেখছেন। তাদের মতে, কেশবপুরের মাটিতে বেড়ে ওঠা একজন মানুষ দেশ-বিদেশে নিজের অবস্থান তৈরি করে আবার নিজ এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করলে তা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে ওঠে।
ভরতভায়না মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান হাবিবের ভাষায়, এমন একজন কৃতি সন্তানকে কাছে পাওয়া নিঃসন্দেহে বিদ্যালয়ের জন্য আনন্দ ও গর্বের বিষয়।